রাজ্য জুরে 10 হাজার শূন্য পদে কর্মী নিয়োগ, সকলেই আবেদনযোগ্য

 

ফের রাজ্য জুড়ে ১০ হাজার কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই মাত্র কিছুদিন আগেই তিনি আমাদের রাজ্যে গড়ে ওঠা World Trade Center গুলিতে রাজ্য 

জুড়ে ৩০ হাজার কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন। এছাড়াও রাস্তাশ্রী ও পথশ্রী প্রকল্পের আওতায় রাজ্য জুড়ে ১০ লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস ও দিয়েছেন তিনি। আর এরই মধ্যে আবারও রাজ্য জুড়ে ১০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমান যুগে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগ, সিভিক ভলেন্টিয়ার কর্মীদের কনস্টেবল পদে নিয়োগ ইত্যাদিকে কেন্দ্র করে যে দুর্নীতি চলছে তার ফলে লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত বেকার চাকরিপ্রার্থীরা বারংবার সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিয়ে তাতে পাস করা সত্ত্বেও যেখানে চাকরি পাচ্ছেন না সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে একের পর এক বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে কর্মী নিয়োগের ঘোষণা যে রাজ্যের বেকার চাকরিপ্রার্থীদের বেকারত্বের বন্দি দশা থেকে মুক্তি লাভ করার অনুপ্রেরণা যোগাবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

      সম্প্রতি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সফরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর সেখানকার মাটিতে দাঁড়িয়েই এই ১০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা জানিয়েছেন তিনি। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নয়াচরকে কেন্দ্র করে এই বিপুল সংখ্যক  কর্মসংস্থান গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে যে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নয়াচর নামক পুরো এলাকাটি গড়ে উঠেছে ৮ হাজার একর এলাকা জুড়ে এবং এই এলাকায় ছোটো বড়ো মিলিয়ে মোট ৭ হাজার ৬০০ টি  পুকুর ও জলাশয় রয়েছে। আর এই গুলিকে কাজে লাগিয়েই ১০ হাজার কর্মসংস্থান গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন যে এর ফলে দুদিক থেকে সুবিধা হবে। একদিকে যেমন রাজ্য জুড়ে আরও ১০ হাজার বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগ মিলবে অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্যও বজায় থাকবে।

       মুখ্যমন্ত্রীর পরিকল্পনা অনুযায়ী নয়াচর এলাকার ওই ৭ হাজার ৬০০ টি ছোটো বড়ো পুকুর ও জলাশয় গুলিকে কয়েকটি কয়েকটি করে একত্র করে তৈরি হবে এক একটি ইউনিট। এক একটি ইউনিটের অধীনে প্রায় ৬০-৭০ একর এলাকা অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং তারপর সেই প্রতিটি ইউনিটকে লিজে দেওয়া হবে। আর এই ভাবেই আগামী ২ বছরের মধ্যে নয়াচরকে বিদেশে মৎস্য রপ্তানির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে যে বর্তমানে এই নয়াচর এলাকার পুকুর ও জলাশয় গুলিকে ৫০০ জন মৎস্যজীবি কোনো ইউনিট ছাড়াই আলাদা আলাদা ভাবে নিজেদের মতো করে মৎস্য চাষ করেন। 

ALSO READ :   WBPRB: প্রকাশ পেল কলকাতা পুলিশের কনস্টেবল পদে তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের নিয়োগের নিয়মাবলী!

     এইসব মৎস্যজীবীদের কাজের উন্নতি ও আয়ের পরিমাণ বাড়াতে মুখ্যমন্ত্রী ওই এলাকার সকল মৎস্যজীবীদের একত্রিত করে ৮০ টি সমবায় গড়ে তুলে সেই সমবায় গুলিকে মৎস্য চাষের জন্য একটি করে জলাশয় লিজে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী এও জানিয়েছেন যে, কোনো মৎস্যজীবী যদি চান তাহলে তিনি ব্যাক্তিগত ভাবেও সরকারের কাছ থেকে জলাশয় লিজে নেওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। মোটের উপর এটাই বোঝা যাচ্ছে যে মুখ্যমন্ত্রীর এহেন সিদ্ধান্তর ফলস্বরূপ রাজ্যের শিক্ষিত অশিক্ষিত সকল প্রকার বেকাররাই নিজ নিজ কর্মসংস্থানের দিশা খুঁজে পাবেন।

MORE JOB NEWS: CLICK HERE

চাকরির সম্বন্ধীয় আরো বিস্তারিত খবরা খবর পেতে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেল যুক্ত হন।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Scroll to Top